বাংলাদেশের ঔপন্যাসিক ও কবি
"নদীর বাঁকে যেথায় মেশে বাংলার আকাশ,
সেথায় খুঁজে পাই আমার অন্তরের আভাস।"
বাংলা সাহিত্যের এক নিবেদিত প্রাণ, যার শৈল্পিক লেখনীতে চমৎকারভাবে উঠে আসে আবহমান গ্রামবাংলা ও আধুনিক জীবনের টানাপোড়েন।
১৯৭৮ সালে বরিশালের নদীবিধৌত এক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কাজী রফিকুল ইসলাম। সমকালীন বাংলা সাহিত্যে তিনি এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। নিভৃত পল্লী থেকে ঢাকার ব্যস্ত শহরের এই যাত্রা তার সাহিত্যকর্মে গভীর প্রভাব ফেলেছে।
দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাহিত্য সাধনায় নিয়োজিত। তার উপন্যাস ও কবিতায় ফুটে উঠেছে প্রান্তিক মানুষের জীবন সংগ্রাম, মূল্যবোধের অবক্ষয় এবং বদ্বীপের মানুষের অদম্য চেতনা।
প্রকাশিত গ্রন্থ
সাহিত্য পুরস্কার
৯৮-এর ভয়াবহ বন্যায় ফরিদপুরের এক গ্রামের মানুষের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের মর্মস্পর্শী কাহিনী, যেখানে প্রকৃতি ও মানুষের অটুট বন্ধন তুলে ধরা হয়েছে।
পুরনো ঢাকার কোলাহল, ঐতিহ্য এবং বিষণ্ণ সৌন্দর্য নিয়ে লেখা ৫০টি কবিতার এক অনবদ্য সংকলন। মুঘল স্থাপত্য থেকে চায়ের দোকান—সবই স্থান পেয়েছে এখানে।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে এক তাঁতী পরিবারের তিন প্রজন্মের সংগ্রাম ও রূপান্তরের গল্প। রাজনৈতিক টানাপোড়েন ও সামাজিক পরিবর্তনের এক মহাকাব্য।
"কাজী রফিকুল ইসলাম কেবল লেখেন না; তিনি বাংলাদেশের মাটিতে প্রাণসঞ্চার করেন। তার গদ্য পদ্মার মতোই খরস্রোতা ও শক্তিশালী।"
ডিসেম্বর ২০২৩
বিভাগ: কথাসাহিত্য (২০১৯)
আধুনিক বাংলা সাহিত্য এবং আখ্যানমূলক কথাসাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য ভূষিত।
শ্রেষ্ঠ উপন্যাস (২০২৩)
"পূর্বপুরুষের নদী" উপন্যাসের জন্য স্বীকৃত, যা দশকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য হিসেবে প্রশংসিত।
কবিতার বই (২০১৮)
"লালবাগের গলি" নামক গভীরভাবে আলোড়ন তোলা কাব্যগ্রন্থের জন্য পাঠকদের পছন্দে পুরস্কৃত।
আঞ্চলিক অবদান (২০২১)
গল্প বলার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন তৈরির জন্য নয়াদিল্লিতে সম্মানিত।
প্রকাশনা সংক্রান্ত অনুসন্ধান, সাহিত্য অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ, বা মিডিয়া সাক্ষাৎকারের জন্য আমার দলের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনার জন্য আমি সবসময় আগ্রহী।
৪৫/এ আজিজ সুপার মার্কেট, শাহবাগ, ঢাকা ১০০০, বাংলাদেশ
contact@kazirafiqulislam.com.bd
+৮৮০ ১৭১১-০০০০০০